• পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
  • বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
  • ||
  • আর্কাইভ

বিদ্যুৎ খাত : ক্যাপাসিটি বিল্ডিংয়ের কার্যক্রম গ্রহণে বাংলাদেশ-নেপালের সম্মতি

প্রকাশ:  ১৮ মে ২০২৩, ০৯:৫৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

বিদ্যুৎ খাতে ক্যাপাসিটি বিল্ডিংয়ের কার্যক্রম গ্রহণে সম্মতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ও নেপাল। মঙ্গলবার (১৬ মে) পটুয়াখালীর পায়রা ১,৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রশাসনিক ভবনে অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত বাংলাদেশ ও নেপাল যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির পঞ্চম সভায় দুই দেশ এ সম্মতি প্রকাশ করে।
জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির সভায় বাংলাদেশের পক্ষে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মো. হাবিবুর রহমান বিপিএএ এবং নেপালের পক্ষে বিদ্যুৎ, পানি সম্পদ ও সেচ সচিব দীনেশ কুমার ঘিমি নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।
স্টিয়ারিং কমিটির সভায় বাংলাদেশ ও নেপালের যৌথ বিনিয়োগে নেপালে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ, ভারতের ওপর দিয়ে বর্তমান আন্তঃসংযোগ গ্রিড লাইন ব্যবহার করে নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি এবং নতুন সঞ্চালন লাইন নির্মাণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। নতুন সঞ্চালন লাইনের অংশবিশেষ ভারতের ভূখণ্ডের মধ্যে নির্মিত হবে বিধায় বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল ত্রিপক্ষীয় সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি নির্ধারণ হবে বলে সভায় মত প্রকাশ করা হয়।
এছাড়া নেপালে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিনিয়োগ এবং বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সরাসরি বিদ্যুৎ সংযোগের লক্ষ্যে অন্তর্দেশীয় ডেডিকেটেড সঞ্চালন লাইন নির্মাণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা নিয়েও পর্যালোচনা হয়। পাশাপাশি নেপালে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের বিষয়টিও সভায় আলোচিত হয়।
ভারতের জিএমআর গ্রুপ কর্তৃক নেপালে বাস্তবায়িতব্য ৯০০ মেগাওয়াট আপার কার্নালী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আমদানি সম্পর্কীয় চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়।
সভায় বাংলাদেশ ও নেপালে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ে উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। সভায় বাংলাদেশের সোলার হোম সিস্টেম কার্যক্রম ও নেট মিটারিং কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।
এছাড়া দ্বিপাক্ষিক সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং বাংলাদেশ-ভারত ও নেপালের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক সমঝোতা বিষয়েও আলোচনা করা হয়। সূত্র : ঢাকা পোস্ট।