• পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
  • রোববার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৭
  • ||
  • আর্কাইভ

ব্রেকিং নিউজ

ফরিদগঞ্জে পিতা-মাতার ওপর পাষণ্ড ছেলের এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ

প্রকাশ:  ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ০৯:৫৪
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

বৃদ্ধ পিতা-মাতার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে এক পাষ- ছেলে এসিড নিক্ষেপ করলো। ছেলেটি পেশায় অটোবাইক চালক। যে বাবা-মাকে মারধরের সাথে সাথে ব্যাটারীর ভেতরের এসিড এনে তাদের ওপর নিক্ষেপ করলো। ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের পূর্ব বদরপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ব্যাটারির ভেতরের এসিড-মান নষ্ট থাকায় তাদের গায়ে কালো দাগ পড়লেও বড় ধরনের ক্ষতের সৃষ্টি হয়নি। এ ব্যাপারে শুক্রবার ফরিদগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

জানা গেছে, রূপসা উত্তর ইউনিয়নের পূর্ব বদরপুর গ্রামের লাল গাজী বাড়ির বৃদ্ধ বোরহান উদ্দিন (৬৫) ও তার সৎমা পারভীন বেগম (৪৫)-এর সাথে অটোবাইক চালক পাষ- নূরে আলম (৩৫)-এর প্রায় সময় ঝগড়া লেগে থাকতো। একটি ঘরে তারা সকলেই বসবাস করায় ছেলের নির্যাতন তারা সহ্য করতো। কিন্তু বৃহস্পতিবার বিকেলে ভাত খাওয়ার সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছেলে বাবা-মাকে মারধর করে এবং এক পর্যায়ে অটোবাইক ব্যাটারী থেকে এসিড বের করে বাবা ও মায়ের উপর নিক্ষেপ করে। বৃদ্ধ বোরহান উদ্দিনকে তার ছেলে এ ঘটনার পূর্বেও একাধিকবার মারধর করেছে বলে স্থানীয়রা জানায়।

বৃদ্ধ বোরহান উদ্দিন জানান, আমি ও আমার স্ত্রী বিকেলে ভাত খাচ্ছিলাম। এ সময় আমার ছেলে ও বউ রান্না করা চুলায় ধোঁয়া হচ্ছে নিয়ে বকাঝকা করার এক পর্যায়ে লাঠি দিয়ে আমাদের এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। এ সময় হঠাৎ সে ক্ষিপ্ত হয়ে অটোবাইকের ব্যাটারী থেকে এসিড বের করে আমাদের মুখে নিক্ষেপ করে এবং ঘর থেকে বের করে দেয়। এতে আমার ও আমার স্ত্রী মুখে কালো দাগ এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে নীলা-ফুলা জখমসহ একটি হাত ভেঙ্গে যায়।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফরুক জানান, বৃদ্ধ বোরহান ও তার স্ত্রী শুক্রবার সকালে আমার কাছে এসে ঘটনা জানায়। পরে আমি তাদের মুখে এসিডের দাগ দেখে থানায় অভিযোগ দেয়ার জন্যে বলেছি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহতদের চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্যে চাঁদপুরে যেতে বলা হয়েছে।

থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন বলেন, ছেলের বিরুদ্ধে তার পিতা শুক্রবার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়ে তাদেরকে চিকিৎসা নিতে বলেছি।