• পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
  • শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
  • ||
  • আর্কাইভ

ব্রেকিং নিউজ

নবনির্বাচিত মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েলের জীবন বৃত্তান্ত

প্রকাশ:  ২৪ অক্টোবর ২০২০, ১৫:৩৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

চাঁদপুর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র অ্যাডঃ মোঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল বংশীয় সম্ভ্রান্তি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতার উজ্জ্বল প্রতিভাসে একজন বিনয়-শোভন মানুষ। নিচে তাঁর জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরা হলো।

নাম : জিল্লুর রহমান জুয়েল, শিক্ষা ও মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ। মোবাইল নং +৮৮ ০১৭ ১২৭৬৬২২২। ই-মেইল : jillur.rahman.jewel@gmail.com. ব্যক্তিগত তথ্য : পেশা : আইনজীবী। শিক্ষাগত যোগ্যতা : এলএলবি (সম্মান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৯২-১৯৯৩ শিক্ষাবর্ষ)। পিতার নাম : মোঃ লুৎফুর রহমান (অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার এবং ব্যবসায়ী)। মাতার নাম : মিসেস সাহানারা বেগম। স্থায়ী ঠিকানা : সাহানারা মঞ্জিল, নতুন আলিম পাড়া, চাঁদপুর, ৩৬০০। জন্ম তারিখ : ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩। জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার : ৬৪১ ১০৭ ৩৮২৫

রাজনৈতিক বৃত্তান্ত : সাবেক সহ-সম্পাদক, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। সাবেক নির্বাহী সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ (লিয়াকত-বাবু)। সাবেক সভাপিত, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। (১৯৯৯-২০০১)। সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা (১৯৯৫-১৯৯৮)। সাবেক সাংগঠিনক সম্পাদক, আলাওল হল ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক, আইন অনুষদ ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। সদস্য, কেন্দ্রীয় 'লিগ্যাল এসিস্টেন্স ও লিগ্যাল এইড' উপ-কমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি, ২০১৮। চীফ ইলেকশান এজেন্ট, আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক প্রার্থীর পক্ষে-চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, ২০১৯। সদস্য সচিব, আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-হাইমচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, ২০২০। সদস্য কেন্দ্রীয় অভ্যর্থনা উপ-কমিটি ২০তম জাতীয় সম্মেলন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। সদস্য কেন্দ্রীয় অভ্যর্থনা উপ-কমিটি ২১তম জাতীয় সম্মেলন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

২০০১ সালের নির্বাচনের পর সারাদেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উপর যে নৃশংস নির্যাতন শুরু হয়, তার ফলস্বরূপ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সন্ত্রাসীদের আক্রমণ, নির্যাতনের মুখে ছাত্রলীগের কর্মীরা রাতারাতি ক্যাম্পাস ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। সে দুঃসময়ে একমাত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জিল্লুর রহমান জুয়েলের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। জুয়েল জানান, সেদিন ক্যাম্পাসে ঢোকার পরপরই পুলিশের সামনে শিবির সন্ত্রাসীরা অস্ত্র হাতে নির্মমভাবে আমাদের উপর হামলা শুরু করে। ছাত্রলীগের অনেক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়, মারাত্মক আহত হয় অনেকেই। আমার পেটে রাইফেল ঠেকিয়ে ট্রিগার চাপে, কিন্তু সৌভাগ্যবশত রাইফেলটি কোনো কারণে কাজ না করাতে সেদিন আমি প্রাণে বেঁচে গেলেও শিবির সন্ত্রাসীরা তখন আমার মাথায়, ঘাড়ে ও কোমরের জয়েন্টে রাইফেলের বাট দিয়ে ক্রমাগত আঘাত করতে থাকে। আমাকে তুলে শিবিরের টর্চার সেলে নিয়ে যাওয়ার সময় তখন পুলিশের দুজন কনস্টেবল রিস্ক নিয়ে আমাকে ছিনিয়ে নিয়ে কোনোভাবে পুলিশের একটি গাড়িতে ছুড়ে দেয়। অর্ধমৃত অবস্থায় আমাকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে আসে। এই নৃশংস আক্রমণের ঘটনা পরেরদিন সকল দৈনিক পত্রিকায় প্রধান সংবাদ হিসেবে ছাপা হয়।

এই আক্রমণের প্রতিবাদে আমরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ লাগাতার অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দেই। অল্প কিছু কর্মী নিয়ে আমরা গেরিলা কায়দায় ট্রেন, বাসে হামলা করি, ট্রেন লাইন উপড়ে ফেলে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে প্রায় ৭ মাস ক্যাম্পাস বন্ধ রাখি। এই আন্দোলনে আমার সহযোদ্ধা এবং আমার কমিটির সহ-সভাপতি আলী মর্তুজাকে শিবির সন্ত্রাসীরা ব্রাশফায়ার করে নির্মমভাবে হত্যা করে এবং ১৭টি মামলা নিয়ে আমাকে দীর্ঘদিন ফেরারী অবস্থায় কাটাতে হয়। কোমর এবং ঘাড়ে আঘাতের কারণে আমার পক্ষে আর কখনো পুরোপুরি ঝুঁকে কাজ করা বা বেন্ট হওয়া সম্ভব হয়ে উঠেনি। সেই দুঃসময়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নিয়মিত আমাদের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং অর্থ দিয়ে আমাদেরকে অনেক সহযোগিতা করেছেন (আলাউদ্দিন নাসিম ভাইয়ের মাধ্যমে)।

সামাজিক এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ : প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুষদ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। সদস্য, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। উপদেষ্টা, কমিউনিটি পুলিশ, চাঁদপুর জেলা শাখা। সহ-সভাপতি, একাত্তর ফাউন্ডেশন। উপদেষ্টা, দৈনিক চাঁদপুর বার্তা। সভাপতি, শিক্ষা উন্নয়ন কমিটি, ইক্রা মডেল একাডেমি, চাঁদপুর।

অ্যাডঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল বিবাহিত। তাঁর স্ত্রী সামিনা রহমান, গৃহিণী। তিনি এক কন্যা সন্তান তাসনীম রহমান (১১) ও এক পুত্র সন্তান জাওয়াদ রহমান (৭)-এর জনক।