• পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
  • শুক্রবার, ২২ জানুয়ারি ২০২১, ৮ মাঘ ১৪২৭
  • ||
  • আর্কাইভ

ব্রেকিং নিউজ

নৌকা পেলেই পাস!

প্রকাশ:  ১৩ জানুয়ারি ২০২১, ০৮:৫৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

ফরিদগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা পেলেই পাস এমন ভাবনায় দু'জন নারী প্রার্থীসহ প্রায় দুই ডজন প্রার্থী মনোনয়নের আবেদনপত্র ক্রয় করেছেন। আজ অথবা কালই নৌকা প্রতীক নির্ধারণের মধ্য দিয়ে দলের চূড়ান্ত মেয়র প্রার্থী হিসেবে ভাগ্য নির্ধারণ সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।

এসব প্রার্থী নিয়ে সর্ব মহলেই আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। কেননা দেশের মধ্যে পৌরসভার বিপুল সংখ্যক মেয়র প্রার্থী হিসেবে ফরিদগঞ্জ আলোচনার শীর্ষে। এত্তোসব প্রার্থী হওয়ার জন্য মূলত দলের গ্রুপিংই দায়ী বলে অনেকে মনে করছেন।

দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ফরিদগঞ্জে বর্তমানে সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরা তিন নেতার অনুসারী হিসেবে তিনটি ভাগে বিভক্ত হয়ে আছেন। বিভক্ত হয়ে থাকা এই তিন নেতা হলেন বর্তমান এমপি জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত এমপি মুহম্মদ শফিকুর রহমান, সাবেক এমপি ড. মুহম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডঃ জাহিদুল ইসলাম রোমান। প্রার্থীদের নামে বিভিন্ন স্থানে সাঁটানো ব্যানার ফেস্টুন দেখেই দলের উক্ত তিন গ্রুপের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফরিদগঞ্জ পৌরসভার মেয়র কিংবা ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে মাত্র ৫/৭ জনের নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এলাকায় প্রচার হতো। কিন্তু এই প্রথম দেখা গেলো ফরিদগঞ্জ পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হিসেবে এ পর্যন্ত মোট ২৩ জন দলীয় মনোনয়ন চেয়ে আবেদনপত্র ক্রয় করেছেন। একটি সূত্র যেটি নিশ্চিত করেছে। এ বিষয়টি কারো কারো জন্যে হাস্যরসের খোরাক সৃষ্টি করেছে এবং ফরিদগঞ্জের আওয়ামী লীগের মধ্যে চেইন অব কমান্ড নেই বলে দলের অনেকেই তাদের প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন।

এতোসব প্রার্থীর মধ্যে মেয়র হওয়ার জনপ্রিয়তা ও যথেষ্ট যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কেউ কেউ প্রার্থী হতে ইচ্ছেই প্রকাশ করেননি। এর কারণ হিসাবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক প্রভাবশালী নেতা বলেন, এখন মেয়র প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পেতে রাজনীতির নামে অবৈধ প্রভাব বিস্তার করতে অসুস্থ রাজনীতির অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে। নিজের মর্যাদা ধরে রাখার স্বার্থে ফরিদগঞ্জে চলমান রাজনীতির নামে এই অসুস্থ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভালো।

তবে পরস্পর বিরোধী গ্রুপিংয়ের রাজনীতির অবসান না হলে আরো কঠিন সময়ের মুখোমুখি হতে হবে বলে অনেকেই মনে করছেন।

সর্বাধিক পঠিত