• পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
  • রোববার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, ৩ মাঘ ১৪২৭
  • ||
  • আর্কাইভ

ব্রেকিং নিউজ

চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ড্রেজিং অব্যাহত রাখার পরামর্শ ঘাট ব্যবস্থাপকের

প্রকাশ:  ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১১:৫২
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরি ঘাটে যানবাহনের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে ৬টি ফেরি মেঘনার এ নৌ রূটে চলাচল করায় এখন আর দিনের পর দিন গাড়ি নিয়ে বসে থাকতে হয় না চালকদের। কয়েক ঘন্টার মধ্যে ফেরিতে উঠতে গাড়ির সিরিয়াল পেয়ে যায় চালকরা। তবে এই ফেরিগুলো আকারে ছোট হওয়ায় গাড়ির ধারণক্ষমতা খুবই কম। সর্বোচ্চ ৮/১০টার বেশি গাড়ি এক ট্রিপে নেয়া যায় না। তবে এই শুষ্ক মৌসুমে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ফেরির চ্যানেলে ড্রেজিং অব্যাহত রাখার পরামর্শ বিআইডবিস্নউটিসি ঘাট ব্যবস্থাপকের।


এদিকে এই রূটে আপাতত ফেরি সমস্যা না থাকলেও যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই রুটে রো রো ফেরি এখন খুবই প্রয়োজন। যে ফেরিতে ২৫/৩০টি গাড়ির ধারণক্ষমতা। ঘাটে গাড়ির চাপ আরো কমানোর জন্যে এখানে রো রো ফেরি অপরিহার্য বলে মনে করেন সচেতন মহল। ঘাট ও নৌ চ্যানেলের দিকেও কর্তৃপক্ষের সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখার বিষয়ে মত তাদের।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফেরি সার্ভিসের জন্যে একাধিক ঘাট করা হলেও হরিণার পুরানো ঘাটটি এবং শরীয়তপুরের আরো একটি ঘাট বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। এ দু'টি ঘাটের পরিবর্তন আনা হয়নি। অবশ্য বিকল্প ঘাট রাখা হয়েছে। তবে পরিকল্পিতভাবে এ রূটের ফেরিঘাট এখনো নির্মিত হয়নি বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।

মেঘনার পশ্চিমপাড়ে ইব্রাহিমপুর ও বেড়াচাক্কি নৌ চ্যানেলে বিআইডবিস্নটিএ'র দু'টি ড্রেজার চলতি শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ড্রেজিং কাজ করছে। বিআইডবিস্নউটিএ'র নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, নদীতে দ্রুত পানি কমে যাওয়ায় মেঘনার পশ্চিম পাড় শরীয়তপুর ঘাটের সম্মুখে নৌ-চ্যানেল সক্রিয় রাখতে বর্তমানে উন্নত প্রযুক্তির ২টি ড্রেজার দিয়ে ড্রেজিং অব্যাহত রাখা হয়েছে।

এদিকে বিআইডবিস্নউটিসি হরিণা ঘাট ব্যবস্থাপক ফয়সাল আলম চৌধুরী জানান, আপাতত ফেরির কোনো সমস্যা নেই। নদীর নাব্যতা অনুযায়ী এ রূটে ৬টি ফেরি চলাচল করছে। একটি গাড়ি ঘাটে এসে সর্বোচ্চ ১৮ থেকে ২০ ঘণ্টার মধ্যে ফেরি পার হয়ে যাচ্ছে। এই রূটের ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হলে নৌ চ্যানেলের ড্রেজিং অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি আরো জানান, কর্তৃপক্ষ এখানে রো রো ফেরি দেযার পরিকল্পনা নিয়েছে। নৌ চ্যানেলের নাব্যতার উপর নির্ভর করবে রো রো ফেরি এখানে আসার। সেই সাথে নতুন ঘাটও হবে।