• পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
  • বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
  • ||
  • আর্কাইভ

ব্রেকিং নিউজ

প্রতিমা বির্সজনের মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের সমাপ্তি

প্রকাশ:  ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৫৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাঁচদিনব্যাপী সর্ববৃহৎ শারদীয় দুর্গোৎসবের পরিসমাপ্তি হয়েছে। গতকাল ২৬ অক্টোবর সোমবার সন্ধ্যার সাথে সাথেই এ বিসর্জনপর্ব অনুষ্ঠিত হয়। চাঁদপুর শহরের শ্রীশ্রী কালীবাড়ি, গোপাল জিউড় আখড়া, পালপাড়া শীতলা মায়ের মন্দির, প্রতাপসাহা বাড়ি পূজা ম-প, স্বর্ণখোলা সন্তোষী মায়ের মন্দির, ডকইয়ার্ড হরিজন কলোনী মন্দির, মিনার্ভা পূজা ম-প, শ্রীশ্রী গোপাল জিউড় আখড়া পূজা ম-পের দুর্গাদেবীর প্রতিমা চাঁদপুর শহরের চৌধুরীঘাট এলাকার ডাকাতিয়া নদীতে বিসর্জন দেয়া হয়। অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে এ বিসর্জনপর্ব চলে। এ সময় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় বিসর্জনস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চাঁদপুর সদর সার্কেল) স্নিগ্ধা সরকারসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের তৎপরতা ছিলো চোখে পড়ার মতো। এছাড়াও বিসর্জনস্থলে জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিমল চৌধুরী, পূজা পরিষদ নেতা বিবেকলাল মজুমদার, পরেশ চন্দ্র মালাকার, তপন সরকার, লিটন মজুমদার, রঞ্জিত সাহা মুন্না, সুকান্ত দে, তাপস রায় প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার এলাকার নিতাইগঞ্জ পূজা ম-প, বারোয়ারী পূজা ম-প, ঘোষপাড়া পূজা ম-প, নবতারা পূজা ম-প, মৈশাল বাড়ি পূজা ম-প, হরিজন কলোনী পূজা ম-প, পানেরগোলা পূজা ম-প, রঞ্জিত সাহা বাড়ির পূজা ম-পের প্রতিমা সন্ধ্যার পর ডাকাতিয়া নদীতেই বিসর্জন দেয়া হয়। বিসর্জনপর্ব শেষে সকল পূজা ম-পে অনুষ্ঠিত হয় প্রার্থনা। বিকেলবেলায় সকল পূজা ম-পেই ভিড় পরিলক্ষিত হয়। বিভিন্ন বয়সের নারীগণ নিজ ও সংসারের শান্তি কামনায় দেবীর চরণে প্রার্থনা করেন এবং দেবীকে তেল-সিঁদুর পরিয়ে দেন। নিজেরাও একে-অপরকে তেল-সিঁদুর পরিয়ে বিদায়বেলার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। দেবী বিদায়ের এ পর্বে আবেগঘন পরিবেশের অবতারণা হয়। অনেকেরই চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠে। বিসর্জনপর্ব শেষে তারা পরবর্তী বছর দেবীদুর্গার আগমন কামনাসহ নিজেদের সুখ, শান্তি, দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করেন। সকালেই সকল পূজা ম-পে দশমীবিহিত পূজা শেষে তর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় প্রতিমা বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতা।